নুরউদ্দীন আহমদ
নুরউদ্দীন আহমদ_একজন সফল সরকারি কর্মকর্তা, অমায়িক ভদ্রলোক ও সর্বোপরি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তাঁর স্ত্রী বদরুন্নেসা আহমেদ আওয়ামী লীগের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রথম সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর বাড়ি বঙ্গবন্ধুর বাড়ির পাশেই। দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিনের পরিচয় ও ঘনিষ্ঠতা। তাই দেশে যখন ১৯৭০-এর নির্বাচনের তোড়জোড় চলছে, তখন নির্বাচনের উত্তাপ তাঁদের বাড়িতেও। একজন সরকারি কর্মকর্তা, যাঁর স্ত্রী একজন নেতৃস্থানীয় রাজনীতিবিদ, নুরউদ্দীন আহমেদের জীবনে অনেক সংঘাত ও টেনশন আসে। তা সত্ত্বেও তিনি ছিলেন অবিচল ও স্থির। তাঁর কথা একটাই : আমরা একে অপরের পেশায় হস্তক্ষেপ করি না। সত্যিই অপূর্ব এক পারিবারিক সমীকরণ, যা নুরউদ্দিন বজায় রাখতেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময়নুরউদ্দীন ঢাকা ছেড়ে গেছেন ও মুজিবনগর সরকারে যোগ দিয়েছেন। সেখানে তিনি বন, মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন।
দেশ স্বাধীন হলো। নুরউদ্দীন দেশে ফিরে এলেন। সচিব পদে আবার অধিষ্ঠিত হলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনের কাজ হাতে নিলেন। দেশে তখন চরম দুরবস্থা, আর তাঁর মন্ত্রণালয়ের কাজ তো অনেক। স্ত্রী বদরুন্নেসা আহমেদ এর মধ্যে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যোগ দিলেন, তারপর হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি এবং অকালে ইন্তেকাল করলেন। বঙ্গবন্ধু নিহত হলেন। খৰ নেমে এল নুরউদ্দীনের পরিবারের ওপর। মোশতাক সরকার তাঁকে জেলে পাঠালেন। মুক্ত হয়ে তিনি ফিরে এলেন সাত মাস পর। তাঁর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হলো। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিলেন তিনি। সত্যিই তাঁর জীবন তখন এক নাগরদোলার মধ্য দিয়ে গেছে।
তবে প্রফেশনাল জীবনে নুরউদ্দীন সার্থক, যিনি বন বিভাগের এক সিনিয়র ফরেস্ট অফিসার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন ব্রিটিশ আমলে, তিনি পাকিস্তান আমলে তাঁর বিভাগের প্রধান হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। আর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই বিভাগের মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে কাজ করেন। আন্তর্জাতিক মণ্ডলেও তাঁর ব্যাপ্তি ছিল। একাধিকবার বিদেশ সফরে গেছেন, কাজ করেছেন। দেশে ও বিদেশে তিনি অনেক সুনাম পান।
কুষ্টিয়ার শৈশবকাল ও স্কুলজীবন, কলকাতার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবন, দেরাদুনে চাকরিতে প্রশিক্ষণ এবং পরে চাকরিতে যোগদান, তারপর বিভিন্ন জেলার বনে বনে দিন কাটানোর এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা। ৮৮ বছর বয়সে বলে গেছেন তিনি তাঁর জীবনকাহিনী আর তার যোগ্য মেয়ে তা টুকে নিয়েছেন। বাবা ও মেয়ের যৌথ প্রচেষ্টার ফল এই সুখপাঠ্য কাহিনী।
অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে তিনি বাঙালি জীবনের এক মধ্যবিত্ত পরিবারের কাহিনী বলে গেছেন অত্যন্ত সাদাসিধে ও নিঃসংকোচে। কিছুই ঢাকার চেষ্টা করেননি তিনি। তাঁর প্রথম প্রেম, প্রথম বিবাহ ও পরবর্তী বিবাহজীবন সম্বন্ধে বলে গেছেন অকপটে।
মুক্তিযুদ্ধের সময়নুরউদ্দীন ঢাকা ছেড়ে গেছেন ও মুজিবনগর সরকারে যোগ দিয়েছেন। সেখানে তিনি বন, মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেন।
দেশ স্বাধীন হলো। নুরউদ্দীন দেশে ফিরে এলেন। সচিব পদে আবার অধিষ্ঠিত হলেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনের কাজ হাতে নিলেন। দেশে তখন চরম দুরবস্থা, আর তাঁর মন্ত্রণালয়ের কাজ তো অনেক। স্ত্রী বদরুন্নেসা আহমেদ এর মধ্যে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যোগ দিলেন, তারপর হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি এবং অকালে ইন্তেকাল করলেন। বঙ্গবন্ধু নিহত হলেন। খৰ নেমে এল নুরউদ্দীনের পরিবারের ওপর। মোশতাক সরকার তাঁকে জেলে পাঠালেন। মুক্ত হয়ে তিনি ফিরে এলেন সাত মাস পর। তাঁর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হলো। সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিলেন তিনি। সত্যিই তাঁর জীবন তখন এক নাগরদোলার মধ্য দিয়ে গেছে।
তবে প্রফেশনাল জীবনে নুরউদ্দীন সার্থক, যিনি বন বিভাগের এক সিনিয়র ফরেস্ট অফিসার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন ব্রিটিশ আমলে, তিনি পাকিস্তান আমলে তাঁর বিভাগের প্রধান হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছিলেন। আর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর সেই বিভাগের মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে কাজ করেন। আন্তর্জাতিক মণ্ডলেও তাঁর ব্যাপ্তি ছিল। একাধিকবার বিদেশ সফরে গেছেন, কাজ করেছেন। দেশে ও বিদেশে তিনি অনেক সুনাম পান।
কুষ্টিয়ার শৈশবকাল ও স্কুলজীবন, কলকাতার কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবন, দেরাদুনে চাকরিতে প্রশিক্ষণ এবং পরে চাকরিতে যোগদান, তারপর বিভিন্ন জেলার বনে বনে দিন কাটানোর এক বিচিত্র অভিজ্ঞতা। ৮৮ বছর বয়সে বলে গেছেন তিনি তাঁর জীবনকাহিনী আর তার যোগ্য মেয়ে তা টুকে নিয়েছেন। বাবা ও মেয়ের যৌথ প্রচেষ্টার ফল এই সুখপাঠ্য কাহিনী।
অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে তিনি বাঙালি জীবনের এক মধ্যবিত্ত পরিবারের কাহিনী বলে গেছেন অত্যন্ত সাদাসিধে ও নিঃসংকোচে। কিছুই ঢাকার চেষ্টা করেননি তিনি। তাঁর প্রথম প্রেম, প্রথম বিবাহ ও পরবর্তী বিবাহজীবন সম্বন্ধে বলে গেছেন অকপটে।

0 Responses to "নুরউদ্দীন আহমদ"
Leave A Comment :